খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২১ আশ্বিন, ১৪৩৩

ফুড ক্যাডেটস -এ হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির এমপ্লয়ার্স মিটিং অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফুড ক্যাডেটস -এ হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির এমপ্লয়ার্স মিটিং অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল

যোগফল প্রতিবেদন :

বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী হস্পিটালিটি ইন্ডাস্ট্রিতে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে ফুড ক্যাডেটস লিপি’স ইউফোরিয়া, ইনস্টিটিউট অব কুলিনারি আর্টস অ্যান্ড হোটেল ম্যানেজমেন্ট। প্রতিষ্ঠানটি থিওরি ও প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন তারকা মানের হোটেল, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য হসপিটালিটি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ এবং চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ৫ই অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখ ফুড ক্যাডেটস -এ দেশের বিভিন্ন তারকা মানের হোটেল, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট সহ হস্পিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে একটি এমপ্লয়ার্স মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জনাব মেহেদি হাসান সোহেল -জিএম হোটেল হাইগার্ডেন, মিস এলিনা আক্তার -হোটেল ফার্স, মোঃ ওয়াসিফ -এম্পারিয়ান, জনাব সাজিদুর রহমান -বিএফসি, এম.এ. নাহিয়ান -ফিওনা সহ অন্যান্য হোটেলিয়াররা এবং ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রিস স্কিলস কাউন্সিল (T&H ISC) -এর কর্মকর্তাগন, অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফুড ক্যাডেটস লিপি’স ইউফোরিয়া’র চেয়ারম্যান জনাব সালেহ মুজাহিদ ও সিইও জনাবা নাফিজ ইসিলাম লিপি এবং SICIP- T&H ISC প্রজেক্ট এর আওতায় প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী প্রায় ১০০ জন ট্রেনিং উপস্থিত ছিল।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন হোটেল ও হসপিটালিটি প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ হোটেলিয়াররা ট্রেনিদের সামনে হোটেল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের অভিজ্ঞতা, কর্মপরিধি, ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা, পেশাগত আচরণ এবং নিয়ম-শৃঙ্খলাসহ ইন্ডাস্ট্রির সার্বিক বিষয় নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তারা প্রশিক্ষণার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আলোচনা পর্ব শেষে বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্ট ও হসপিটালিটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ট্রেনিদের সিভি (CV) সংগ্রহ ও সরাসরি ইন্টারভিউ গ্রহণ করেন। ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বিভিন্ন অকুপেশনে ইন্টার্নশিপের জন্য নির্বাচন করেন।
ইন্টার্নশিপের জন্য যেসব অকুপেশনে ট্রেইনি নির্বাচন করা হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—
Food & Beverage Production (Cooking)
Bakery & Pastry Production (Baking)
Housekeeping
Food & Beverage Service
এমপ্লয়ার্স মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা সরাসরি ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে বাস্তব কর্মজীবনের ধারণা লাভের পাশাপাশি নিজেদের দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রদর্শনের সুযোগ পান। একই সঙ্গে হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির নিয়োগদাতাদের সঙ্গে প্রশিক্ষণার্থীদের সরাসরি সংযোগ তৈরি হওয়ায় তাদের ইন্টার্নশিপ ও ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের পথ আরও সুগম হয়েছে।
ফুড ক্যাডেটস -এর এ ধরনের উদ্যোগ দক্ষ ও কর্মক্ষম মানবসম্পদ তৈরির পাশাপাশি দেশের হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রির ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

বিশ্বের অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র হতে চায় বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্বের অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র হতে চায় বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

যোগফল প্রতিবেদক: 

বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিল্প উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, আসন্ন কমনওয়েলথ সম্মেলনকে কাজে লাগিয়ে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

সোমবার (৫ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘কমনওয়েলথ বিজনেসউইমেনস নেটওয়ার্ক’-এর নির্বাহী পরিচালক আরিফ জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আগামী নভেম্বরে অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডায় অনুষ্ঠিত হবে কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলন (সিএইচওজিএম)। বৈঠকে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশকে একটি নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচনায় বাংলাদেশকে নীতিগত ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতার দেশ হিসেবে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ‘উৎপাদন হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া কৃষি ও গ্রামীণ উদ্যোগ জোরদার, ব্লু-ইকোনমির টেকসই সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং ‘সার্কুলার ইকোনমি’ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় করেন তারা।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আলজেরিয়া থেকে এলএনজি ও সার আমদানির উদ্যোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আলজেরিয়া থেকে এলএনজি ও সার আমদানির উদ্যোগ

যোগফল প্রতিবেদক: 

সরকারি পর্যায়ে (জি-টু-জি) আলজেরিয়া থেকে দীর্ঘমেয়াদি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও সার আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা, মানব পাচার প্রতিরোধ, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলওয়াহাব সাইদানির সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে নিরাপত্তা বাহিনীর দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বাড়াতে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, যৌথ কর্মশালা এবং আইনগত সহায়তা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। দুই পক্ষ মনে করে, এলএনজি ও সার আমদানির উদ্যোগ বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।

বৈঠকে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর আলজেরিয়াই প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। দুই দেশের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তার দেশ আগ্রহী বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়াতে আলজেরিয়া বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ও ওষুধ আমদানি বাড়াতে পারে। পাশাপাশি ডাক্তার, নার্সসহ দক্ষ জনশক্তি নেওয়ার জন্য তিনি আলজেরিয়াকে আহ্বান জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশে বিচারাধীন এক আলজেরীয় নাগরিকের আইনি জটিলতার বিষয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে আদালতের নিয়মিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করার পরামর্শ দেন মন্ত্রী এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

৬৩ বছর ধরে বিনা পারিশ্রমিকে পাঠশালা, গুণী শিক্ষক সম্মাননা পাচ্ছেন রমণী কান্ত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৬৩ বছর ধরে বিনা পারিশ্রমিকে পাঠশালা, গুণী শিক্ষক সম্মাননা পাচ্ছেন রমণী কান্ত

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মন্দিরের পাঠশালায় প্রথমে বাবা, পরে ছেলের ‘হাতেখড়ি’ দিয়েছেন রমণী কান্ত বেপারি। একই পাঠশালায় এখন আরেক প্রজন্মের শিশুরাও তার হাত ধরে পড়াশোনার শুরু করছে। দীর্ঘ ৬৩ বছর ধরে গ্রামের শিশু-কিশোরদের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া এই শিক্ষক কখনো নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক নেননি। অভিভাবকরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী মাস শেষে যা দেন, তাতেই সন্তুষ্ট তিনি।

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের রাংতা গ্রামের রাখাল বেপারীর ছেলে রমণী কান্ত বেপারি। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে অসংখ্য শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষার হাতেখড়ি দেওয়া এই গুণী শিক্ষক এবার জীবনের শেষ প্রান্তে এসে সরকারি সম্মাননা পাচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাংতা সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের আঙিনায় গড়ে ওঠা পাঠশালায় নিয়মিত শিশুদের পাঠদান করছেন রমণী কান্ত বেপারি। শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহের ছয় দিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিনি শিক্ষার্থীদের পড়ান। বর্তমানে তার পাঠশালায় ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

চাকরির সুযোগ ছেড়ে পাঠশালায়

জানা যায়, ১৯৭১ সালের আগেই স্কুলছাত্র থাকা অবস্থায় এলাকার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের সন্তানদের পড়ানো শুরু করেন রমণী কান্ত। ১৯৭৩ সালে এসএসসি পাস করার পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরির সুযোগ পান তিনি। তবে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের প্রতি মায়া ও ভালোবাসার কারণে সেই চাকরির সুযোগ স্বেচ্ছায় ছেড়ে দেন।

এরপর থেকে মন্দিরের আঙিনার পাঠশালাকেই নিজের কর্মস্থল হিসেবে বেছে নেন তিনি। তার কাছে হাতেখড়ি নেওয়া অনেক শিক্ষার্থী বর্তমানে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

শিক্ষার্থীর অভিভাবক শিপ্রা পাত্র বলেন, ‘আমার মেয়েকে পড়িয়েছেন রমণী স্যার। বয়স হয়ে গেলেও স্যার এখনো অত্যন্ত দক্ষ এবং যত্নসহকারে ছেলে-মেয়েদের পড়ান।’

আরেক অভিভাবক কমল মণ্ডল বলেন, ‘স্যারের কাছে আমার বাবা হাতেখড়ি নিয়েছেন। পরে আমিও পড়েছি। আমার সন্তানকেও পড়িয়েছি। আমার সন্তান এখন স্কুলে পড়ে। কিন্তু এখনো রমণী স্যারের পাঠশালার মায়া ছাড়তে পারেনি।’

সাধারণ জীবনযাপন

স্ত্রী রুম্পাকে নিয়ে রমণী কান্ত বেপারির সংসার। একমাত্র ছেলে তাপস বেপারি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। বাড়িতে একটি দোচালা টিনের ঘরেই বসবাস করেন তারা। রমণী কান্তের কিছু কৃষিজমি রয়েছে। পাশাপাশি সরকারি বয়স্ক ভাতাও পান তিনি।

রমণী কান্ত বেপারি বলেন, ‘ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের পড়িয়ে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। তাদের স্বজনরা যা দেন, তাতেই চলে যায়। জীবনের শেষ মুহূর্তে এসেছি। এখন সরকার আমাকে যে গুণী শিক্ষক সম্মাননা দিচ্ছে, সেটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। প্রধানমন্ত্রীর এই সম্মাননার প্রতি সম্মান জানিয়ে যতদিন বেঁচে আছি, এ পেশায় থেকে মরতে চাই। এতেই আমার শান্তি।’

রাংতা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি রনজিত বৈদ্য বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের অনেক আগেই মন্দিরের আঙিনায় গ্রামের শিশু-কিশোরদের জন্য পাঠশালা চালু করেন রমণী কান্ত বেপারি। দেখতে দেখতে প্রায় ৬৩ বছর কেটে গেছে। তার কারণে এলাকার গরিব ও অসহায় পরিবারের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে।’

আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিরুপম মজুমদার বলেন, ‘শিক্ষক রমণী কান্ত বেপারির বিষয়টি আমি কিছুদিন আগেই জেনেছি। আমি তার পাঠশালা পরিদর্শন করেছি। তিনি সরকারি সহযোগিতা হিসেবে বয়স্ক ভাতা পান। সবচেয়ে খুশির বিষয় হলো, এবারের বিশ্ব শিক্ষক দিবসে যে ১০১ জন গুণী শিক্ষক সম্মাননা পাচ্ছেন, তাদের মধ্যে একজন রমণী কান্ত বেপারি। প্রধানমন্ত্রী তাকে সম্মাননা প্রদান করবেন। এটা তার শিক্ষকতা জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া বলে আমি মনে করি।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল. কম